অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...

al-ihsan.net
বাংলা | English

দেশের খবর - ১৭ জানুয়ারী, ২০১৭
 
বিদায়ী বছরে উদ্বেগজনক হারে কমেছে রেমিটেন্স প্রবাহ
নিজস্ব প্রতিবেদক:

হুন্ডিসহ অবৈধ পথে টাকা পাঠানো, মার্কিন ডলারের সরকারি দর ও বাজার দরের পার্থক্য এবং অদক্ষ জনশক্তি রফতানীর কারণে প্রবাসী আয় বাড়লেও বিদায়ী বছরে কমেছে রেমিটেন্স প্রবাহ, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এ প্রবণতাকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে, বিষয়টি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি প্রবাসী আয় বাড়ানোর প্রক্রিয়া সহজ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে উদ্যোগ নেয়ার তাগিদ দিয়েছে, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ১৯৭৬ সালে জনশক্তি রফতানী শুরুর পর থেকে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশী কর্মী যাওয়ার সংখ্যা ক্রমেই বেড়েছে। কর্মী যাওয়ার পাশাপাশি প্রায় প্রতি বছর রেমিটেন্সের পরিমাণ বাড়লেও সদ্য বিদায়ী বছরে তা কমেছে। ২০১০ সালে ৩ লাখ ৯০ হাজার কর্মী বিদেশে গেলেও ২০১৫ তে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৫৫ হাজারে। ২০১৬ সালে আরো দুই লাখ বেড়ে হয়েছে ৭ লাখ ৫৭ হাজার। এদিকে, ২০১০ সালে যেখানে ১ হাজার ১শ’ কোটি মার্কিন ডলার রেমিটেন্স এসেছিল সেখানে, ২০১৫ তে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৫শ’ কোটি ডলারে। তবে, সদ্য বিদায়ী বছরে ১৬৭ কোটি ডলার কমে তা হয়েছে ১ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার। অদক্ষ কর্মী পাঠানো আর, অবৈধ পথে দেশে টাকা পাঠানোই এর কারণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘লোক যদি ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি যায় তাহলে তো বেশি টাকা আসার কথা কিন্তু এ টাকা কোথায় যাচ্ছে। তাহলে কি সত্যি সত্যি দেশে আসছে না? নাকি বেসরকারি ভাবে আসছে (হুন্ডির মাধ্যমে)।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের যে প্যারালাল মার্কেটে ডলারের যে দাম আছে সেটি ৮২ থেকে ৮৩ টাকার মতো। আর ইন্টার ব্যাংক মার্কেটে বড়জোর ৭৮ টাকায় পাওয়া যায়। আর এখানেই ৪/৫ টাকা তফাৎ হয়ে যাওয়াতে এটি বিরাট লোকসানের কাজ করে।’ ইউল্যাব ও গবেষক রামুর শিক্ষক ড. জালাল উদ্দিন শিকদার বলেন, ‘কত লোককে বিদেশে পাঠাতে পারলাম আর কত পরিমাণ টাকা দেশে আসছে। দুটোই কুয়ান্টিটি। আর কোয়ালিটির দিকে আমরা কখনও নজর দেইনি।’ তিনি আরো বলেন, বাজারে একটা কথা আছে, বেশি লোক পাঠালে বেশি টাকা আসবে। কিন্তু সেই ধারণাটা এখন ভুল প্রমাণিত হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত দক্ষ কর্মী তৈরি করা সম্ভব হবে না ততদিন পর্যন্ত রেমিটেন্সের পরিমাণ কখনও বেশি আসবে না। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন পরোক্ষভাবে চাপ তৈরি করছে অবৈধ বাংলাদেশী যারা আছে তাদেরকে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে। আর এটি রেমিটেন্সের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রবাসী আয় আহরণের পাশাপাশি, অবৈধ পথে টাকা পাঠানো বন্ধের উদ্যোগ না নিলে প্রবাসী আয়ে আরো নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশংকা তাদের। প্রবাসী আয় কমে যাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়ে, তা আহরণের প্রক্রিয়া সহজ করার তাগিদ দিয়েছেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জাভেদ আহমেদ। এখন থেকে বিভিন্ন দেশের চাহিদার কথা মাথায় রেখে, অদক্ষ কর্মীর তুলনায় দক্ষ, আধা দক্ষ ও পেশাজীবী কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ নেয়ার কথাও বলো এই কর্মকর্তা।







For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal