অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...

al-ihsan.net
বাংলা | English

দেশের খবর - ১৭ জানুয়ারী, ২০১৭
 
প্রমাণ হলো ন্যায়বিচার পাওয়া যায় -কাদের
নিজস্ব প্রতিবেদক:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বর্তমান সরকারের আমলে যে ন্যায়বিচার পাওয়া যায়, তার প্রমাণ নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের মামলার রায়। আজ গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপপরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এক প্রদর্শনীর উদ্বোধন শেষে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় কাদের এ কথা বলেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আশা করি, নিম্ন আদালতের রায় উচ্চ আদালতে বহাল থাকবে। অপরাধী যত বড় প্রভাবশালী হোক না কেন, অপরাধ করে কেউ পার পেতে পারবে না।’ এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এ কে এম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, পরিবেশ ও বন সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল। সাত খুনের দুই মামলায় প্রধান আসামি নূর হোসেন ও র‌্যাবের তিন কর্মকর্তাসহ মোট ২৬ জনকে মৃত্যুদ- দেওয়া হয়েছে। আজ গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সকাল সোয়া ১০টার দিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ এনায়েত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। প্রধান আসামি নূর হোসেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছিলো। এই ২৬ জনের মধ্যে পলাতক রয়েছে ৯ জন। হত্যাকা-ের ১১ মাস পর ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের আদালতে ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মামুনুর রশিদ ম-ল। এরপর বিভিন্ন সময়ে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পলাতক থাকেন ১৩ জন। এর মধ্যে ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর নূর হোসেনকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার পর ১৩ নভেম্বর সাত খুনের দুটি মামলাসহ ১১ মামলায় পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখায়। ফলে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৩-এ। সাত খুনের মামলায় হত্যার দায় স্বীকার করে র‌্যাবের ১৭ জনসহ ২২ জন এবং ঘটনার সাক্ষী হিসেবে র‌্যাব সদস্যসহ ১৭ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে অভিযোগপত্র থেকে পাঁচ আসামিকে বাদ দেয়ায় এবং প্রধান আসামি নূর হোসেনের জবানবন্দি ছাড়া আদালত অভিযোগপত্র আমলে নেয়ায় ‘নারাজি’ আবেদন করেন সেলিনা ইসলাম বিউটি। আবেদনটি নারায়ণগঞ্জ বিচারিক হাকিম ও জজ কোর্টে খারিজ হয়ে গেলে বিউটি উচ্চ আদালতে যান। হাইকোর্টের আদেশে বলা হয়, পুলিশ চাইলে মামলাটির ‘অধিকতর তদন্ত’ করতে পারে এবং ‘হত্যার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনার’ ধারা যুক্ত করে নতুন করে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারে। তবে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, তাদের অভিযোগপত্র ‘নির্ভুল ও চমৎকার’। এই রায়ে ভীতি দূর হবে -আইনমন্ত্রী: নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ৭ খুনের মামলায় রায়ের মধ্য দিয়ে ‘জনগণের ভীতির দূর হবে’ বলে মনে করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) নারায়ণগঞ্জের আদালত রায় ঘোষণার পর দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “আমার মনে হয় জনগণ এই রায়ে সন্তুষ্ট হবে এবং এই ঘৃণ্য অপরাধে যে ভীতির সৃষ্টি হয়েছিল সেই ভীতি দূর হবে।” সাত খুনের মামলায় সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন ও সাবেক তিন র‌্যাব কর্মকর্তাসহ ২৬ আসামির ফাঁসির রায় দিয়েছে আদালত। এ মামলার ৩৫ আসামির মধ্যে বাকি নয়জনকে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদ-। কোনো মামলায় ফাঁসির আদেশ হলে অনুমোদনের জন্য সাত দিনের মধ্যে রায়ের নথি হাই কোর্ট বিভাগে পাঠানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে বলে জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, হাইকোর্ট ডিভিশন দ- বহাল রাখলে আপিল বিভাগে আপিল করার সুযোগ থাকবে। সেই প্রক্রিয়া শেষ হলে রায় কার্যকর হবে। “এই অপরাধের নৃশংতায় যারা জড়িত... আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণে তা পেয়েছে যদি অপরাধ হিসেবে হত্যাকা- প্রমাণিত হয় তাহলে কিন্তু ফাঁসি দেয়াটা হচ্ছে দ্য ফার্স্ট পানিশমেন্ট। মিটিগেশন বা অন্যান্য কারণ দেখানো হলে তাহলে এটাকে যাবজ্জীবন দেয়া যায়। “সেই ক্ষেত্রে বিজ্ঞ আদালত এই অপরাধের নৃশংসতা, এই অপরাধের ষড়যন্ত্রের যে ঘৃণ্যতা- এসব বিচার করে ২৬ জনকে ফাঁসির রায় দিয়েছে।” সাত খুনের ঘটনায় দ-িত ৩৫ জনের মধ্েয ২৫ জনই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। মামলার নথিতে বলা হয়, এলাকায় আধিপত্য নিয়ে বিরোধ থেকে কাউন্সিলর নজরুল ইসলামকে হত্যার পরিকল্পনা করেন আরেক কাউন্সিলর নূর হোসেন। আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে র‌্যাব সদস্যদের দিয়ে ওই হত্যাকা- ঘটানো হয়। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আনিসুল হক বলেন, “যেই অপরাধ করুন, তাকে বিচারের আওতায় এনে তার সুষ্ঠু বিচার করাই হচ্ছে রাষ্ট্রের দায়িত্ব, আমার মনে হয় আমরা সেই দায়িত্ব পালন করতে পেরেছি।







For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal