অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...

al-ihsan.net
বাংলা | English

বিশেষ প্রতিবেদন - ১৪ জানুয়ারী, ২০১৭
 
যুদ্ধাপরাধের বিচার-১১: পাকী বাহিনীর গণহত্যায় সহযোগী ছিল শান্তিকমিটি
আল ইহসান ডেস্ক:

শান্তিকমিটি পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর ৩(২) ধারার অধীনে মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা ও আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় অন্যান্য অপরাধ সংঘটনের সহযোগিতা প্রদান করেছে। শান্তিকমিটি বিভিন্ন মিটিং, মিছিল ও সন্ত্রাসী তৎপরতায় উৎসাহদানের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। এই সহযোগিতা প্রদানের জন্য খুব দ্রুত কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে, সহায়তায় ও তত্ত্ববধানে জেলা, মহকুমা, থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি গঠিত হয়। এছাড়া দখলদার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সহযোগী বাহিনী হিসেবে শান্তিকমিটি রাজাকার বাহিনী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সামরিক সরকারের প্রশংসা লাভের উদ্দেশ্যে তারা ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টির মাধ্যমে ভীতি ও আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। শান্তিকমিটির নেতৃত্বের পর্যায় থেকে পাকিস্তানের অখ-তা রক্ষা, দুষ্কৃতকারী, ভারতীয় এজেন্টদের প্রতিরোধ ইত্যাদি কারণ দেখিয়ে তাদের অধস্তন কর্মীদের অপরাধ করার জন্য বিভিন্ন উস্কানি দেয়া হয়। শান্তিকমিটির নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন বক্তৃতায় ও বিবৃতির মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ সংঘটনে উৎসাহ প্রদান করে। কেন্দ্রীয় শান্তিকমিটির সদস্যগণ সভা-সমাবেশের মাধ্যমে পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের তাদের ভাষায় ‘দুষ্কৃতকারী’ আখ্যায়িত করে তাদের নির্মূল করায় সর্বপ্রকার সহযোগিতা করার জন্য জনগণকে আহ্বান জানায়। শান্তিকমিটি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠন হবার পর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর সহযোগী বাহিনী হিসেবে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করে।







For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal